ভারী বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা, খোলা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র

jagonews24

ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের ১ hills টি পাহাড়ে ভূমিধস সম্ভবত। এ কারণে এই পাহাড়ে বসবাসরত মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

এছাড়াও জেলা প্রশাসন রেলওয়ের মালিকানাধীন কনকর্ড গ্রুপকে ইজারা দেওয়া এশিয়ান মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ফয়েজ হ্রদ এবং বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সিডিএ লিংক রোড সংলগ্ন উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি জনপদে মাইকিং কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয় প্রশাসন পাহাড়বাসীদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য সোমবার (১৮ জুলাই) সারাদিন মাইকিং করে চলেছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহমেদ বলেছেন, বঙ্গোপসাগরে গভীর চলা মেঘের কারণে শনিবার গভীর রাত থেকে চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছিল। এসব কারণে চট্টগ্রামে ভূমিধস হতে পারে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া নৌ বন্দরটিতে ১ নম্বর নৌ সতর্কতা সংকেত প্রদর্শিত হতে বলা হয়েছে।

এদিকে, করোনার মহামারির কারণে এ বছর চট্টগ্রাম শহর ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলি থেকে অবৈধ কাঠামো উচ্ছেদে ধীর গতি ছিল। তবে বর্ষা মৌসুমের শুরুতে প্রবল বৃষ্টিপাতের পরে জেলা প্রশাসন ফৌজদারহাট-বায়েজিদ লিংক রোড ধরে ৪০০ এরও বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় থেকে জনবসতিদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য আজ চাঁদগাঁও, বাকালিয়া, আগ্রাবাদ ও কাট্টলি স্থল চক্রের অধীনে শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ১৯ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলি হ’ল: পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বিশ্ব কলোনী কোয়াড পি-ব্লক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফিরোজ শাহ কলোনী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফিরোজ শাহ হাউজিং এস্টেটের বায়তুল ফালাহ আদর্শ মাদ্রাসা, চট্টগ্রাম মডেল স্কুল ও কলেজ, জালালাবাদ বাজার সংলগ্ন শেড, রউফাবাদ। আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, রশিদিয়া রউফাবাদ আলিম মাদ্রাসা, মহানগর পাবলিক স্কুল, আল হেরা মাদ্রাসা, আমিন জুট মিল শ্রমিক ক্লাব, আমিন জুট মিলস নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, লালখানবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, এবাদ উল্লাহ পণ্ডিত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহীদ নগর সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় স্কুল, কালিম উল্লাহ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ওয়াইডাব্লুসিএ, শেখ রাসেল প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মতিঝর্ণা ইউসুফ স্কুল।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো। তৌহিদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, “নগরীর পার্বত্য অঞ্চলে মানুষের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য বিপজ্জনক পাহাড় থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিংয়ের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।” নগরীর ছয়টি সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্থানীয় কাউন্সিলরদের সমন্বয়ে আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করেছে।

“স্থানীয় মসজিদ থেকে মাইকিংয়ের মাধ্যমে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার জন্যও জনগণকে আহ্বান করা হচ্ছে,” তিনি বলেছিলেন। প্রতিবার নামাজের আগে ও পরে এবং বৃষ্টির তীব্রতা অনুসারে জেলা প্রশাসন মসজিদের মুয়েজিন হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য জনগণকে অনুরোধ করছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেছিলেন, “করোনার সংক্রমণ বিবেচনা করে এবার আশ্রয়ের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছে।” ভূমি অফিসের কর্মী, কাউন্সিলর এবং স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে নগরীর ১y টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে, করোনার পরিস্থিতিতে, মানুষ বেশিরভাগ ঝুঁকিপূর্ণ পার্বত্য অঞ্চল থেকে সরে এসে স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছে shelter ‘

আবু আজাদ / এএইচ / এমকেএইচ