ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ২৫ জন

লালমনিরহাট

চ্যাংড়াবান্ধা ইমিগ্রেশন পুলিশ বুড়িমারী স্থলবন্দরের মাধ্যমে অবৈধভাবে প্রবেশ ও ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে ভারতে প্রায় চার মাস ধরে বন্দী থাকা ২৫০ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বুড়িমারী স্থলবন্দর জেরোপয়েন্টে বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যালি ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়। ২৫ জন কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার বাসিন্দা।

একটি ভারতীয় আদালত গত শনিবার (২৯ আগস্ট) তাদের মুক্তির আদেশ দিয়েছে। চার দিন পরে তারা দেশে ফিরে আসে। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভারতের ধুবরি আদালতের আদেশের পরে তারা দেশ ত্যাগের কথা ছিল, তবে বুড়িমারী চ্যাংড়াবান্ধা চেকপোস্টের মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়া শেষ করে বুধবার বিকেলে তারা দেশে প্রবেশ করেছিল।

এর আগে ৩ মে ধুবরি পুলিশ বাড়ি ফিরতে ২ 26 বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাদের একজন ভারতীয় কারাগারে মারা যান। শনিবার ভারতের একটি ধুবরি আদালত ভারতে আটক থাকা ২৫ জন বাংলাদেশিকে প্রায় চার মাসের জন্য মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

লালমনিরহাট

ভারতীয় হাই কোর্টের আইনজীবী অসীম দাশগুপ্ত ও ধুবরি আদালতের আইনজীবী রাজস্বী দাশগুপ্ত আটক বাংলাদেশীদের পক্ষে আইনী লড়াই করেছেন।

লালমনিরহাট

বুড়িমারী ইমিগ্রেশন পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, ভারতে আটককৃত ২৫ বাংলাদেশির বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায়। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং ভিসা শেষ করার জন্য তাদের ভারতীয় পুলিশ আটক করেছিল।

এ বছরের শুরুর দিকে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা বাইপরিপাড়া এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন আইনত ভারতে গেছেন। এর মধ্যে লকডাউনে ২। জনকে আটক করা হয়েছিল। ভারতে লকডাউনের দ্বিতীয় পর্বের আগে চ্যাংড়াবান্ধা চেকপোস্ট খোলার কথা শুনে তারা দেশে চলে গেল। কিন্তু ৩ মে আসামের ধুবরি জেলার চাপোবাত পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করে। ২ জুলাই বকুল মিয়া নামে এক ব্যক্তি হেফাজতে মারা যান এবং তার মরদেহ কিছুদিন পর দেশে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রবিউল হাসান / আরএআর / জেআইএম