ঈদের পর জালনোটের বড় কারবারের টার্গেট ছিল তাদের

জল-টাকা

রাজধানীর পল্টন থানার অন্তর্গত বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের পাশের একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে নকল নোট তৈরির জন্য বিভিন্ন চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে Metাকা মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

গুলশান বিভাগ ডিবি পুলিশের একটি দল রাজধানীর পুরানা পল্টনের ২ 25/২২ নম্বর ভবনের ৫ ম ও 6th ষ্ঠ তলায় ১৪ আগস্ট বিকাল ৩ টা থেকে একটি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কারখানার ফিন্যান্সার শাহিন, হান্নান, কাওছার, আরিফ, ইব্রাহিম ও খুশি।

.াকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) গুলশান বিভাগের পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো। মশিউর রহমান জানান, ভবনের ৫ ম ও 6th ষ্ঠ তলা থেকে প্রায় ৫-6 কোটি টাকার জাল নোট তৈরির কাঁচামাল এবং বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে। ৫ 56 লাখ টাকার নকল নোট জব্দ করা হয়েছে।

ডিবি গুলশান বিভাগের ডিসি জানান, এই গ্যাংয়ের সদস্যরা পুরান পল্টনে ভবনের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তল ভাড়া নিয়ে নকল নোট তৈরির জন্য একটি কারখানা স্থাপন করেছিল। Cycleদ থেকেই এই চক্র চলছিল। .দুল আজহার আগে তারা Dhakaাকা শহরের বাইরে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করতো। Eidদের পরে কেউ তাদের সন্ধান করবে না এই ভেবে তারা পল্টনে তাদের কারখানা স্থাপন করেন।

অভিযুক্তের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেছিলেন যে শাহিন নকল নোট তৈরির কারখানার ফিনান্সার ছিল। তিনি একাধিক মামলায় অভিযুক্ত। আটক হান্নান প্রিন্টম্যান হিসাবে কাজ করেছিলেন। জাল নোটের জন্য বিশেষ কাগজ প্রস্তুতকারকও ছিলেন কাওসার। আরিফ পুরো কারখানার ম্যানেজার ছিলেন। ইব্রাহিম ও খুশি মুদ্রিত জাল নোট বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন।

গত দেড় মাস ধরে তারা এই দুটি ফ্ল্যাটে জাল টাকা আদায় করে চলেছে। তারা প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা এবং সর্বনিম্ন তিন লাখ রুপি তৈরি করত। প্রতি বান্ডেলে এক লাখ টাকা থাকে। এই এক লক্ষ টাকা দেশের বিভিন্ন জেলায় 9 হাজার থেকে শুরু করে 13 হাজার টাকা পর্যন্ত পাইকারি দামে বিক্রি হত। এবং খুচরা বিক্রেতারা পাইকারদের কাছ থেকে কিনে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বাজারে ছেড়ে দিতেন।

Eidদের পরের পাঁচ থেকে ছয় মাস ধরে সেখান থেকে বড় ব্যবসা চালিয়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করার পরিকল্পনা ছিল।

তিনি বলেন, একই অভিযোগে একাধিকবার গ্রেপ্তার হওয়ার পরে অন্য আসামিরাও কারাগারে ছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

জেইউ / এমআরএম / পিআর