টানা বর্ষণে পটুয়াখালীতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

jagonews24

জোয়ারের প্রভাব এবং গত কয়েকদিনের একটানা বৃষ্টিপাতের ফলে পটুয়াখালীর ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জলোচ্ছ্বাসের জেলাগুলি জেলার বিভিন্ন উপজেলার ৫০ টি গ্রাম ডুবে গেছে। মাছের পুকুরও জলে ডুবে গেছে।

রবিবার (২৩ শে আগস্ট) সদর উপজেলার জামুরা ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের কৃষক করিম ফকির জানান, তার সবজি বাগান জোয়ার-বৃষ্টিতে ডুবে গেছে। তিনি করলা, চিংড়ি এবং কুমড়ো চাষ করতেন। তবে সমস্ত জলে হারিয়ে যাবে। এবার পুরো মাথায় হাত।

একই এলাকার কৃষক সাইফুল চৌকিদার বলেছিলেন, “আমি সবজি চাষের স্বপ্ন দেখেছিলাম। সমস্ত স্বপ্ন জলে ভাসে।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত জানান, জমিতে এখনও প্রচুর পরিমাণে পানি রয়েছে। আজ জল নামতে শুরু করেছে। পানি অপসারণ করা হলে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য দেওয়া যেতে পারে। তবে সবজির মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও আমন ধান ৩২,০০০ হেক্টর জমিতে তলিয়ে গেছে।

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) খান মোহাম্মদ ওয়ালুজ্জামান জানান, তহবিলের অভাবে বাঁধটি নিচে মেরামত ও মেরামত না হওয়ায় লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। ভারী বৃষ্টিপাত এবং জলোচ্ছ্বাসের জলের ঝুঁকি অঞ্চলটির ৪৪ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হয়েছে। তবে বর্তমানে কোথাও কোনও জলের বাঁধ নেই। জল উঠে তবে কিছুক্ষণ পরে নেমে যায়। তারপরেও, আমরা সমস্যাটি সমাধানের জন্য উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি have বরাদ্দ হয়ে গেলে কাজ শুরু হবে।

jagonews24

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্লাহ বলেছেন, প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হয়েছিল যে পটুয়াখালীর ১৫ শতাংশ জলোচ্ছ্বাস ও ভারী বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। জেলায় ১ লাখ ৪ thousand হাজার পুকুর রয়েছে যার মধ্যে ২২ হাজার পুকুর প্লাবিত হয়েছে। এতে ২৫ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে।

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক কাজী কেরামত জানান, শনিবার সকাল to টা থেকে রবিবার সকাল from টা পর্যন্ত পটুয়াখালীতে ৩৩.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল।

মাহিবুল্লাহ চৌধুরী / এমএসএইচ