পুলিশ সুপারের উদারতা

নোয়াখালী-2

নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন নিহত পুলিশকর্মীর বাবার অবর্তমানে তার মেয়েকে বিয়ে করেছেন। দিনব্যাপী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সোমবার শেষ হয়েছিল।

জানা গেছে, নোয়াখালী সদর উপজেলার আওজবালিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল আনোয়ার উল্লাহ দায়িত্ব পালনের সময় ২০০৯ সালে কক্সবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। মৃত্যুর সময় তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে ছিল। ফলস্বরূপ, চরম অনিশ্চয়তা তার পরিবারে নেমে আসে। এই পরিস্থিতিতে, পুলিশ সুপার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

নিহত পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী শাহেদা আক্তার জানান, মেয়ে আসমাউল হোসনা মুক্তার বিয়ে চূড়ান্ত হওয়ার পরই পুলিশ সুপারের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল। এর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পুলিশ সুপার আমার পাশে এসে আমার মেয়েকে যে কোনও মূল্যে বিয়ে দিয়েছিলেন।

বর এবং কনে এই বিবাহের আয়োজন করে খুব খুশি। বাবার অনুপস্থিতিতে অভিভাবক হিসাবে অভিনয় করার জন্য স্থানীয় পুলিশ সুপারের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বলেন, আমি অসহায় পরিবারের পাশের মেয়েটিকে বিয়ে করেছিলাম। তারা একা নয়, আমরা সবাই তাদের পাশে আছি। পুলিশ প্রশাসন সর্বদা এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

নোয়াখালী-2

বিবাহ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি থিসা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার) সাজ্জত হোসেন, সুধারাম পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নবীর হোসেন, ইওজবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু জাহের এবং ড। অন্যান্য বিশিষ্টজন

ঘটনাচক্রে, নোয়াখালী জেলা পুলিশ প্রশাসন প্রতিবন্ধী ও বৈদিক সম্প্রদায়ের সহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির লোকের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে। সংকট চলাকালীন সময়ে করোনার রোগীদের এবং তাদের আত্মীয়দেরও পুলিশ অক্সিজেন সরবরাহ করেছিল।

মিজানুর রহমান / এএম / পিআর