বার্ন ইনস্টিটিউটে কান্না আর আহাজারি

ডিএমসি

শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে এসি বিস্ফোরণে আক্রান্তদের স্বজনরা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সামনে ভিড় করছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন চিৎকার করে কাঁদছিলেন। কেউ আবার চুপচাপ অশ্রু বয়ে যাচ্ছিল। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের অনেকে হাসপাতালের অভ্যন্তরে পোড়ানো আত্মীয়দের কাছে যেতে অনুরোধ করছিলেন। তবে দগ্ধ ব্যক্তিদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার স্বার্থে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

শোকসন্তানের আত্মীয় রওশন আরা জানান, তাঁর দুই জামাই ইমাম হোসেন ও আমজাদ হোসেন মসজিদে এশার নামাজ পড়ার সময় পোড়ানো হয়েছিল। তারা পেশায় গার্মেন্টস শ্রমিক। তাদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের খানপুর সরদারপাড়া এলাকায়।

অপর ছেলে রুবেল হোসেন জানান, তার ভাই ভ্যান চালক মিজানুর রহমানকে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সে তার ভাইয়ের অবস্থা জানত না।

স্থানীয়দের মতে, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এশার নামাজের পর মোনাজাতের সময় মসজিদের এসি ফেটে যায়। এ সময় মসজিদে প্রায় ৫০-60০ জন উপাসক ছিল। বিস্ফোরণের পরে ছুটে আসার সাথে অনেককে উলঙ্গ অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল এবং তাদের দেহ জ্বলছে। অনেককে কাঁদতে কাঁপতে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে। মসজিদের মেঝেতে রক্ত ​​coveredাকা অবস্থায় দেখা গেছে।

ডিএমসি

শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের Medicalাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৮ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। তারা সবাই মাথা থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত পোড়া হয়েছিল।

এএইচ