ভিভিআইপি নিয়ে অসত্য বক্তব্য, সংসদে নিষিদ্ধ এক কর্মচারী নেতা

আতোর-আলী-২.জেপিজি

রাষ্ট্রপতি। আবদুল হামিদকে মিথ্যা বক্তব্য দেওয়ার জন্য সংসদ এলাকায় কথা বলতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আতর আলী। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারী কর্মচারী হয়েও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অসত্য বক্তব্য দেওয়ার জন্য সংসদ অঞ্চল থেকে তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এমনকি তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না সে সম্পর্কে তাকে কারণ দর্শনের নোটিশও দেওয়া হয়েছে। সংসদ ও আতার আলীর একাধিক সূত্রের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

September সেপ্টেম্বর সংসদের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ খালেদুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি কারণ দর্শানোর জন্য জারি করা হয়েছিল। এতে লেখা আছে, ‘আপনি, মোহাম্মদ আতার আলী, 1620 সালের 16 আগস্ট সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে এক আলোচনায় অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আয়োজিত সভা। যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল মানুষের উপরে আছেন, তাই মহামান্য রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে যে কোনও ব্যক্তির পক্ষে অসত্য বক্তব্য দেওয়া সংবিধানিক নয়। ‘

অনুষ্ঠানের ছবি

‘যেহেতু আপনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি বা একজন সরকারী কর্মচারী হিসাবে আপনি অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন এবং যেহেতু আপনার উপরোক্ত আচরণটি একজন সরকারী কর্মচারীর প্রতি অশ্লীল আচরণ এবং সরকারী কর্মচারী আচরণবিধির পরিপন্থী যা জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের 3 ( শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিবিধি ২০০ 2005. নোটিশ প্রাপ্তির তিন কার্যদিবসের মধ্যে আপনার যেমন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের স্টাফ অফিসার ও কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধি, ২০০৫ এর ধারা ৩ (ক) এর অধীন দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, আপনি তা করবেন উপযুক্ত শাস্তি কেন মেনে নেওয়া হবে না সে সম্পর্কে কারণ দেওয়া উচিত। অনুরোধটি নির্দেশ অনুসারে করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে মোঃ আতার আলী জাগো নিউজকে বলেন, “উক্ত বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমাকে সংসদীয় এলাকা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমি আর কী করতে পারি? কপালে যে দুর্দশা রয়েছে তা তাই হবে। কারণ আমি প্রাপ্তির পরদিন জবাব দিয়েছি। নোটিশ দেখাতে হবে। ‘

অনুষ্ঠানে উপস্থিত পার্লামেন্টের এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, “অনুষ্ঠানের সংসদের শপথ কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবং স্পিকার বলেছিলেন। শিরীন শারমিন চৌধুরী এতে কার্যত অংশ নিয়েছিলেন। আতার আলী কর্মীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। বর্তমান রাষ্ট্রপতি বলেছেন। আবদুল হামিদ বক্তা থাকাকালীন এ জাতীয় ঘটনা সংঘটিত হয়নি বলে আতার আলী অসত্য তথ্য দিয়েছিলেন। তিনি অনেক নেতিবাচক কথাও বলেছিলেন। যা অসত্য, এজন্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ‘

এইচএস / এসএইচএস / এমএস