মিসরে জাতীয় শোক দিবস পালন

jagonews24

আফশার হোসেন, মিশর থেকে

মিশর প্রবাসীরা পিরামিডস ও নীল ভূমিতে বিভিন্ন কর্মসূচি ও যথাযোগ্য মর্যাদায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছেন।

১৫ ই আগস্ট স্থানীয় সময় সকাল ৯ টায় কায়রোতে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়েছিল।

নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত। দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে মনিরুল ইসলাম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

দিবসটির আলোচনা সভা সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। মিশরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত প্রবাসী বাঙালিরা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিল। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিদেশ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী প্রেরিত বার্তা এ উপলক্ষে পাঠ করা হয়।

সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথিদের অনেকে বক্তব্য রেখেছিলেন। বক্তারা বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের বিষয়ে আলোকপাত করেন এবং তাঁর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে বলেছিলেন যে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক ছিলেন। বাঙালি অধিকারের প্রশ্নে তিনি কখনও আপস করেননি। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা দীর্ঘ 9 মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জন করেছি।

একটি জাতি হিসাবে আমাদের দুর্ভাগ্য হ’ল ১৯ 197৫ সালের ১৫ ই আগস্ট সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা শেখ মুজিব এবং তাঁর পরিবারকে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির হাতে নির্মমভাবে হত্যা করতে হয়েছিল। 15 ই আগস্ট, 1975 বাঙালির ইতিহাস এবং বিশ্বের ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার জাতির জনক, গোল্ডেন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি সকল প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশ গঠনে যথাসম্ভব অবদান রাখার আহ্বান জানান। দূতাবাস জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপনের জন্য অদূর ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত কর্মসূচি গ্রহণ করছে। তিনি মিশরে বাংলাদেশী প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহযোগিতা ও কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এমআরএম / এমকেএইচ