লেবানন থেকে ফিরছেন আরও ৪১৩ বাংলাদেশি

ল্যাবানন

আরও ৪৩৩ বাংলাদেশি লেবানন ছেড়েছেন দেশের উদ্দেশ্যে। স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট তাদের বৈরুতের রফিক হরিরি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাদের নিয়ে যায়। মঙ্গলবার বিমানটি দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

দূতাবাসের কর্মকর্তারা এ সময় বৈরুত বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। আটকা পড়া প্রবাসীরা বিশেষ বিমানটিতে ফিরে আসার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান।

এর আগে, বাংলাদেশ বিমানের আরও দুটি বিশেষ ফ্লাইটে দেশে আটকে থাকা oc১17 অনিবন্ধিত প্রবাসীরা দেশে ফিরেছেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, দূতাবাসটি গত ২ আগস্ট থেকে কাতার এয়ারলাইনসসহ বাংলাদেশ বিমানের তিনটি বিশেষ বিমানের তিন হাজার বাংলাদেশিকে প্রত্যাবাসন করেছে, যখন দীর্ঘ ব্যবধানের পরে বিমানগুলি আবার শুরু হয়েছিল। যদিও গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ,,4545। অনিবন্ধিত বাংলাদেশিরা স্বেচ্ছায় নিবন্ধিত হয়েছে, যারা এখনও বাকি রয়েছেন তাদের পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দূতাবাস জানিয়েছে, আরও বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও বিমান সংস্থার সাথে আলোচনা চলছে।

এর আগে রবিবার দূতাবাস প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ৪১৩ জন যাত্রীকে ফেরত দিয়ে বিমানের টিকিট হস্তান্তর করে।

jagonews24

করোনার পরিস্থিতির কারণে নিবন্ধিত বাংলাদেশীরা বেশি দিন বাংলাদেশে ফিরতে পারেননি। জুলাই মাসে বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো। জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমান যোগদানের পরপরই বাংলাদেশ সরকার ও এয়ারলাইন্সের সাথে আলোচনার ফলস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার আটকা পড়া বাংলাদেশীদের প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু করে।

দেশে অর্থনৈতিক মন্দা, ডলারের সংকট এবং খাদ্যমূল্যের একাধিকবার বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশিরা দীর্ঘকাল ধরে অমানবিক জীবনযাপন করছেন।

এফআর / জেআইএম