‘কাল থেকে কেউ গণপরিবহনে বর্ধিত ভাড়া দেবেন না’

ইসলামী-যুব-আন্দোলনঃ

ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন বলেছেন, করোনায় মানুষের পেটে ভাত নেই এবং পকেটে কোনও টাকা নেই, এই অজুহাতে গণপরিবহন ভাড়া 70০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। যা এখনও চলছে। সরকার করোনাকে আপডেট দেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছে। তাহলে ভাড়া কেন বাড়ানো হবে। আগামীকাল থেকে বর্ধিত ভাড়া কেউ পরিশোধ করবে না।

তিনি আরও জানান, আগামীকাল থেকে প্রতিটি গণপরিবহন পরীক্ষা করা হবে। তিনি আরও বলেছিলেন, বর্ধিত ভাড়া নেওয়া হলে সাধারণ মানুষ যা করার দরকার তা করতে বাধ্য হবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১১ টায় ইসলামিক যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণপরিবহনে ভাড়া 70০ শতাংশ বৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন এই মন্তব্য করেন। ।

ব্যবসা বন্ধ, চাল নেই, টাকা নেই। সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে বর্ধিত খাজনার নামে আমরা এত দিন নির্যাতন সহ্য করব কীভাবে? সতর্কতা অবলম্বন করুন, বর্ধিত ভাড়া বাতিল করার জন্য নির্দেশাবলী জারি করতে হবে। অন্যথায় যারা গণপরিবহণের পক্ষে সরকারের পক্ষে কাজ করছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, শ্রমিক ও যাত্রীদের মুখে গণপরিবহন মালিকদের স্বার্থ গ্রহণ করা হবে না। পরিবহন শ্রমিকরা আমাদের শত্রু নয়। তবে যাত্রীদেরও এ নিয়ে ভাবতে হবে। আগামীকাল থেকে কোনও যাত্রী গণপরিবহণে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করার আহ্বান জানান তিনি।

ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কে এম আতিকুর রহমান বলেছেন, সরকার আবারও প্রমাণ করেছে যে করোনার খোঁড়া অজুহাতে জনপরিবহন ভাড়া 60০ শতাংশ বাড়িয়ে জনগণের নয়। তারা ক্ষমতায় বসে কেবল একটি গোষ্ঠীর স্বার্থে। করোনায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গণপরিবহন ভাড়া 70০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। তবে বাস্তবে সেই দূরত্বের কোনও বিপদ নেই।

তিনি আরও যোগ করেন যে বৃদ্ধির ভাড়াটি ঠিক ছিল তা বলার সাহস সরকারে কেউ করেনি। এর অর্থ এই যে পরিবহন খাতে কিছু সন্ত্রাসীর কাঁধে এই সরকার বেঁচে আছে। সুতরাং সরকার তাদের স্বার্থের পরিপন্থী এমন কিছু করবে না।

তিনি আরও যোগ করেন যে করোনার সংকট শুরুর পর থেকে সরকার প্রতিটি ইস্যুতে মারাত্মকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারপরেও কিছু সরকারি মন্ত্রী অবৈধ কথা বলে আসছেন saying জাতির এই সংকটে অযাচিত কথা বলে দেশের মানুষের সাথে কৌতুক করবেন না।

বক্তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে বলেন, স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বে থাকার তাঁর কোনও যোগ্যতা নেই। সুতরাং অবিলম্বে পদত্যাগ করুন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন অন্যদের মধ্যে ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান মুজাহিদ, সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব মনসুর আহমদ সাকি, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মদ নূর-উন-নবী, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, মুহাম্মদ মাহবুব আলম, অফিস সম্পাদক, মুহাম্মদ মো। ইলিয়াস হাসান, প্রচার সম্পাদক ও হাফ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো। জহিরুল ইসলামসহ নগর নেতারা।

জেইউ / এএইচ / পিআর