আগাম সিমে লাভবান নওগাঁর চাষিরা

নওগাঁ-বিন -২

নওগাঁর বাজারে আগে থেকেই নতুন সিম প্রদর্শিত শুরু হয়েছে। এ জেলার কৃষকরা প্রাথমিক জাতের শিমের ভাল দাম পেয়ে লাভবান হচ্ছেন। এই শিমের চাষ কৃষকদের কাছে ভদ্র শিম (ভাদ্র মাসের শিম) নামে পরিচিত। কৃষকদের মতে, লাভের একটি অংশ শিমের পোকার নিয়ন্ত্রণে যায়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় প্রায় তিনশ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ করা হয়েছে। শিমের প্রাথমিক জাতগুলির মধ্যে কার্তিক, কাজলা এবং চালতা নামে পরিচিত।

শিমের শেফ সবুজ পাতায় লক করছে। এবং শীর্ষে বেগুনি এবং হালকা সাদা ফুল রয়েছে। এবং তাজা মটরশুটি কিছু শেভ এ উঁকি মারছে। প্রারম্ভিক জাতের শিমের রোপণের জন্য জৈষ্ঠ মাসে জমি প্রস্তুত করে রোপণ করতে হয়।

সদর উপজেলার বারশাইল ইউনিয়নের ঝিকড়া গ্রামের কৃষক আজিজার মন্ডল জানান, তিনি k কাঠা জমিতে ভদ্র শিম রোপণ করেছেন। এ পরিমাণ জমিতে শিম রোপণ করতে তিনি বাঁশের জন্য প্রায় চার হাজার টাকা, আগাছার জন্য এক হাজার টাকা এবং ওষুধের জন্য ছয় হাজার টাকা ব্যয় করেছেন। এটি জৈষ্ঠ মাসে আগাম জাতের সিমের জন্য রোপণ করা হয়েছে। ভাদ্র থেকে মাগ মাসে সিম তুলে নেওয়া হবে। আমি আগামী 8-10 দিনের মধ্যে সিমটি বাছাই শুরু করব। শুরুতে সিম সাড়ে তিন থেকে চার হাজার টাকায় বিক্রি হত। সিমটি বাড়তে শুরু করলে দামটি কিছুটা কম হয়। তারপরেও কমপক্ষে 400 থেকে 500 টাকা বিক্রি হয়। প্রতি সপ্তাহে এক গ্রাম শিম উত্পাদন করা হবে। একমাসে চারটি মানস। আর দাম পড়বে প্রায় 12 হাজার থেকে 15 হাজার টাকা।

কেশবপুর গ্রামের কৃষক সিরাজ জানান, চার দিন আগে তিনি মাঠ থেকে পাঁচ কেজি শিম তুলেছিলেন। পাইকারি বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি 100 টাকা। বাজারে সিমের পরিমাণ কম হওয়ায় দামও তুলনামূলকভাবে বেশি। এবং ভাল দামের আশায় আগাম জাতের শিম রোপণ করা হয়।

নওগাঁ-বিন -২

ঝিকড়া গ্রামের কৃষক নাসির উদ্দিন ও আবুল কাশেমসহ কয়েকজন জানান, তারা প্রথম দিকে বিভিন্ন জাতের লাল শিম রোপণ করেছিলেন। সিমটি আগামী কয়েকদিনে বাড়তে শুরু করবে। তবে এবার ঘন বৃষ্টির কারণে শিমের গাছটি পচা হয়েছে। তবুও ভাল দাম পাওয়ার আশা করছি।

নওগাঁ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম মফিদুল ইসলাম জানান, উপজেলার বরশাইল, রক্তিতপুর ও বকতরপুর ইউনিয়নে প্রচুর সবজির আবাদ করা হয়। ধানের পরিবর্তে তারা বেশি লাভের আশায় সবজি জন্মে। আগাম শিম লাগিয়ে কৃষকরা প্রচুর উপকৃত হচ্ছেন। তবে বন্যাকবলিত এলাকায় পানি প্রবাহিত হতে শুরু করেছে। ওই সব অঞ্চলে সবজির বীজ প্রচার করা হবে।

আব্বাস আলী / মিজান / এসইউ / এএ / এমএস