আবারও বাড়ছে পানি, ঘরবাড়ি হারাচ্ছে মানুষ

মাদারীপুর -২

দ্বিতীয় পর্বে পদ্মার জল বাড়তে শুরু করেছে। মাদারীপুরের শিবচরের চর অঞ্চলের একমাত্র রাস্তাটি পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙনের হুমকির মধ্যে রয়েছে। চর অঞ্চলের কাজিরসুরা থেকে মূল রাস্তাটি পৌঁছানোর একমাত্র রাস্তা।

এছাড়াও কমিউনিটি ক্লিনিক, বান্দারখোলা ইউনিয়ন পরিষদ এবং কাজিরসুরা বাজারের অর্ধশতাধিক দোকান সহ পদ্মা ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে। পদ্মায় জলের স্তর ক্রমবর্ধমান হওয়ার কারণে চর অঞ্চলের মানুষেরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। পানিবান্দি পরিবারের সদস্যরা চর এলাকার আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

চর বান্দরখোলা ইউনিয়নের নুরউদ্দিন মদবরকান্দি এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবন, একাধিক স্থাপনা ও চরজানজাত ইউনিয়নের ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ইউনিয়ন পরিষদ, কাঁথালবাড়ী ইউনিয়নের কাঁথালবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নং and এবং সাইক্লোন শেল্টারের তিলাল বর্তমান। বন্যা।

মাদারীপুর -২

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পদ্মার পানির স্তর কয়েক দিন ধরে কমছে তবে এক সপ্তাহ ধরে আবারও বাড়ছে rising ফলস্বরূপ, শিবচরের পদ্মার তীরে চর অঞ্চল তিনটি ইউনিয়নে আবারও নদীর ভাঙন বেড়েছে। ভাঙন রোধে জিওব্যাগ ডাম্পিং চলছে। এদিকে কাজিরসুরার 26 নম্বর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবন এবং ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় পদ্মায় ভেসে গেছে। তবে নদীভাঙন নিকটবর্তী হওয়ায় দু’সপ্তাহ আগে নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

মাদারীপুর -২

বান্দরখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন জানান, ভাঙন অব্যাহত থাকায় একটি কমিউনিটি ক্লিনিক, বান্দারখোলা ইউনিয়ন পরিষদ এবং কাজিরসুরা বাজারের অর্ধশতাধিক দোকান সহ আশেপাশের গ্রামগুলিতে ভাঙনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। চলমান বন্যা ও নদীভাঙনের কারণে শিবচরের চারটি স্কুল নদীর তলদেশে ভেসে গেছে, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত করেছে।

একেএম নাসিরুল হক / এএম / এমএস