কলমাকান্দায় ঢাবি শিক্ষার্থীর ওপর হামলা, হাসপাতালে ভর্তি

jagonews24

গরুর ভাত খেয়ে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় Dhakaাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী এবং তার মা পিটিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। ওই ছাত্রকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী ক্ষেত থেকে ধান খাওয়ার অভিযোগে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের আটকপাড়া গ্রামে এই গরুটিকে মারধর করা হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিরোধীরা গ্রামের প্রয়াত আবু সমর কন্যা 22 বছর বয়সী কেয়া আফরোজ কাকলী এবং তার মা হোসনে আরা ও ছোট বোন নাসরিন আক্তারকে মারধর করে এবং শারীরিকভাবে হয়রানি করে।

আহত Dাবির শিক্ষার্থী কেয়া আফরোজ কাকলি বলেছিলেন, “রাজু মিয়ার প্রতিবেশী ছেলেরা অ্যাপল মিয়া ও লালচান মিয়া আমার বাড়ির পাশের মাঠে গরুর মাংস খাওয়ার সময় অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছিলেন এবং শারীরিক নির্যাতন করেছিলেন।” আমার সাথে যে দেশীয় অস্ত্র ছিল তা দিয়ে আমার মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। হামলার সময় আমাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আমার মা ও ছোট বোনকেও মারধর ও শারীরিকভাবে হয়রানি করা হয়েছিল। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।

কালামাকান্দা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্ধ্যায় লালচঞ্চনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শহিদুল ইসলাম।

পোগলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি শুনেছি গরুর ধান খেয়ে ঝগড়া হয়েছে। মেয়েদের আক্রমণ করা উচিত নয়।

কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আল মামুন জানান, আহত শিক্ষার্থীর মাথায় গুরুতর জখম রয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা ভাল রয়েছে।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফখরুজ্জামান জুয়েল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা চলছে। ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এইচ এম কামাল / বিএ

করোনার ভাইরাস আমাদের জীবন বদলে দিয়েছে। আনন্দ, বেদনা, সংকট, উদ্বেগ নিয়ে সময় কাটায়। আপনি কিভাবে আপনার সময় কাটাচ্ছেন? জাগো নিউজে লিখতে পারেন। আজই এটি প্রেরণ করুন – [email protected]