চিকিৎসকদের উদারতায় কুলসুম ফিরে পেলেন নতুন জীবন

সাতক্ষীরা-কুলসুম02.jpg

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খানপুর গ্রামের কুলসুম বেগম (60০) তার পেটে ২০ কেজি ওজনের টিউমারে ভুগছিলেন। অপারেশনের জন্য তার পরিবারের কাছে টাকা ছিল না। কুলসুম বেগম এমন পরিস্থিতিতে সমস্যায় পড়েছিলেন। তবে চিকিৎসকদের উদারতার জন্য তিনি নতুন জীবন পেয়েছেন।

কুলসুম বেগম তালা উপজেলার খানপুর গ্রামের নওশের আলী বিশ্বাসের স্ত্রী।

কুলসুম বেগম বলেন, আমি আট মাস ধরে টিউমার এবং লিভার সিরোসিসে ভুগছি। গরু-ছাগল বিক্রি এবং চিকিত্সার জন্য অর্থ ব্যয় করা কোনও লাভ হয়নি। শ্বাসকষ্ট অনেক ছিল। কোনও খাবার খেতে পারলাম না। 10-15 দিন আগে। মনোয়ার হোসেনের কাছে গেলাম। তিনি সব কিছুর দিকে চেয়ে কিছু এক্সপেরিমেন্ট দিয়েছিলেন। সেগুলি করার পরে আমাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ভর্তির পরে, ডাক্তাররা অপারেশন করে টিউমারটি সরিয়ে ফেলেন। এখন আমার শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে না, আমি খাবার খেতে পারি।

কুলসুম বেগমের নাতি রবিউল ইসলাম বলেছিলেন, “আমাদের ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম নানির খুলনা মেডিকেল কলেজে ভ্রমণের খরচ ও ওষুধের জন্য ভ্রমণের জন্য অর্থ প্রদান করেছিলেন।” আর ডাক্তাররা কোনও টাকা নেননি। যারা নানিকে মৃত্যু থেকে বাঁচিয়ে সহযোগিতা করেছেন এবং তাদের উদ্ধার করেছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ

রবিবার (২৫ অক্টোবর) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল খুলনা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক (সার্জিকাল অনকোলজি) ডাঃ মোঃ মনোয়ার হোসেন, সহকারী অধ্যাপক এর অপারেশনে অংশ নিয়েছেন। শহিদুল ইসলাম ও মেডিকেল অফিসার মো। আবদুর রব।

ডাঃ মনোয়ার হোসেন বলেন, কুলসুম বেগম খুব গরীব। চিকিত্সার জন্য তাদের কোনও অর্থ নেই। সাতক্ষীরার চেম্বারে তাকে প্রথমবার দেখার পরে আমি তাকে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিয়েছি। তারপরে খুলনা মেডিকেলে ভর্তির পরামর্শ দিলাম। কুলসুমের অপারেশন সেখানে হয়েছিল। ঝুঁকিতে থাকায় আমি কুলসুমের বেঁচে থাকার আশা ছেড়ে দিয়েছি। তবে ঝুঁকি নিয়ে অপারেশন সফল হয়েছিল।

তিনি বলেছিলেন, কিউনিফর্মটি বেলুনের মতো পেটে 20 কেজি ওজনের টিউমারে প্রবেশ করেছিল। অপারেশনটি 100% সফল হয়েছিল। রোগী এখন সুস্থ। ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবে। রোগীকে সুস্থ করা আমাদের নৈতিক কর্তব্য।

আকরামুল ইসলাম / আরএআর / এমএস

করোনার ভাইরাস আমাদের জীবন বদলে দিয়েছে। আনন্দ, বেদনা, সংকট, উদ্বেগ নিয়ে সময় কাটায়। আপনি কিভাবে আপনার সময় কাটাচ্ছেন? জাগো নিউজে লিখতে পারেন। আজ পাঠান – [email protected]