দেশে স্ত্রী তালাক দেয়ায় ওমানে যুবকের আত্মহত্যা

ফরিদপুর

ওমান শহরে দুই বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের বাড়ি ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায়। নিহতরা হলেন- সদর ইউনিয়নের এম কে ডাঙ্গী গ্রামের হজরত খানের ছেলে শাহিন খান (৩১) এবং একই ইউনিয়নের বালিয়া ডাঙ্গী গ্রামের আবদুল মন্ডলের ছেলে নুর ইসলাম মন্ডল (৩০)।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে তারা মারা যান। পারিবারিক সূত্র জানায়, নিহতের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের আব্দুল মন্ডলের ছেলে নুর ইসলাম মন্ডল (৩০) গত তিন বছর ধরে ওমানে রয়েছেন। শনিবার বিকেলে ওমানের একটি বাজার থেকে তার গ্রামের বাড়ির নুর ইসলাম মন্ডলের শ্যালকের বিয়েতে অংশ নিতে বিভিন্ন জিনিস কিনে বাড়ি যাওয়ার পথে হার্ট অ্যাটাকের কারণে তিনি মারা যান।

অন্যদিকে, চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নের এমকে ডাঙ্গি গ্রামের হজরত খানের ছেলে শাহিন খান (৩১) বেশ কয়েক বছর ধরে ওমানে রয়েছেন। বিদেশ যাওয়ার আগে তিনি বিয়ে করেন এবং স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে যান। বিদেশে যাওয়ার পরে তাদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়।

এ কারণে মাত্র দুদিন আগে তার স্ত্রী কাকলি আক্তার (২০) তার বাবা-মায়ের উপস্থিতিতে শাহীনকে তালাক দিয়েছিলেন। এই সংবাদ শুনে শাহীন খান শনিবার বিকেলে ওমানের নিজ বাড়িতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করেন।

চরভদ্রাসন সদর ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলা সদর ইউনিয়নের এম কে ডাঙ্গি গ্রামের হজরত খানের ছেলে শাহিন খান পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছেন এবং বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের আবদুল মন্ডলের ছেলে নূর ইসলাম মন্ডল মারা গেছেন। হৃদপিন্ডে হঠাৎ আক্রমণ. দু’জনেই ওমানে থাকে। তাদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

বি কে সিকদার সজল / এমএএস / জেআইএম