নিহত কর্মচারীর সন্তানকে কোলে তুলে নিলেন লালমনিরহাট ডিসির স্ত্রী

jagonews24

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মঞ্জুরুল ইসলাম (২,) ১ সেপ্টেম্বর এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। দুদিন পরে তার স্ত্রীর এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়েছিল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক আবু জাফর তার স্ত্রীকে নিয়ে শিশুটিকে দেখতে ছুটে আসেন। এ সময় ডিসির স্ত্রী সাবিহা সুলতানা শিশুটিকে কোলে নিয়ে তাকে চুম্বন করেন। তারপরে তিনি আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেন।

হাতীবান্ধা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক তার স্ত্রীকে নিয়ে হাতীবান্ধার বড়খাতা পশ্চিম সরদুবি গ্রামে মনজুরুলের শ্বশুর বাড়িতে যান।

তার সাথে ছিলেন হাতীবান্ধার ইউএনও সামিউল আমিন ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীমা সুলতানা। সেখানে দু’টি চেক (একটির দাম ৫২,০০০ এবং অন্যের মূল্য ২৫,০০০ টাকা) সহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী মনজুরুলের স্ত্রী মিতু খাতুনের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত মনজুরুলের স্ত্রী মিতু খাতুন বলেন, শিশুকে মানবিক করার জন্য আমি একটি কাজের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জমা দিয়েছি। তিনি কাজের বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছিলেন।

লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের হাতীবান্ধা উপজেলার খান বাজার এলাকায় একটি ট্রাক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক ও লালমনিরহাট ডিসির অফিসের কর্মী মনজুরুল আলম (২ 26) ১ সেপ্টেম্বর মঞ্জুরুল আলম নবীনগরের শাহজাহান আলীর ছেলে। জেলার পাটগ্রাম উপজেলার এলাকা এবং লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এমএলএসএস হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

রবিউল হাসান / এফএ / জেআইএম

করোনার ভাইরাস আমাদের জীবন বদলে দিয়েছে। আনন্দ, বেদনা, সংকট, উদ্বেগ নিয়ে সময় কাটায়। আপনি কিভাবে আপনার সময় কাটাচ্ছেন? জাগো নিউজে লিখতে পারেন। আজই এটি প্রেরণ করুন – [email protected]