প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বিএনপির দুই পক্ষের মারামারি

jagonews24

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় পদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির দুই মহলের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। পরে পুলিশ গিয়ে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার পাখেরহাট বাইপাসের চৌধুরী রাইস মিল প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিএনপির ৪২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চৌধুরী রাইস মিল প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। এ সময় আহ্বায়ক কমিটির আরেকটি দল সভা স্থলে এসে ‘মিজানুর রহমান চৌধুরীকে মেনে নেবেন না’ স্লোগান দিয়ে ব্যানারটি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির একটি অংশ, পূর্ব থেকে কমিটির ২ নং কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো। মিজানুর রহমান চৌধুরীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে আসছিলেন। মিজানুর রহমান চৌধুরীর সদস্যরা আজকের বৈঠকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। এ ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। লড়াইয়ের এক পর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আলম তুহিন বলেছেন, আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরীকে আমরা মানি না। তিনি দলের নতুন সদস্য হন এবং অর্থের বিনিময়ে তিনি দলের 1 নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক হন। এতে দলের নির্যাতিত নেতাকর্মীরা আহ্বায়ক কমিটির প্রতি তাদের অবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন।

তবে মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, অর্থ দিয়ে রাজনীতি কখনই হয় না। জনগণের ভালোবাসার কারণে আমি ১ নম্বরের যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পেয়েছি এবং দলটি আমাকে আহ্বায়ক কমিটিতে স্থান দিয়েছে।

আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মো। আমিনুল হক চৌধুরী বলেছিলেন, আমরা নেতাকর্মীদের বলে আসছি শান্তিপূর্ণভাবে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে। কিন্তু হঠাৎ একটি পক্ষ আমাদের আলোচনা সভা এবং প্রার্থনা সভায় এসে হঠাৎ আক্রমণ করে।

খানসামা থানার ওসি শেখ কামাল হোসেন জানান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আলোচনা সভার সময় এই লড়াই হয়েছিল। আমরা দু’পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করেছি। অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমদাদুল হক মিলন / এএম / এমকেএইচ