বিএনপির পরবর্তী কান্ডারি কে?

jagonews24

রাস্তায় আন্দোলন গড়ে তুলতে ব্যর্থ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে অনেক জল্পনা চলছে। দীর্ঘ কারাভোগের পরেও সরকারের রহমতে মুক্তি পেয়ে বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে সক্রিয় হতে পারেননি। এমনকি তিনি চাইলেও শারীরিক কারণে এবং মুক্তির শর্তে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার কোনও সুযোগ তাঁর নেই। অন্যদিকে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইনী জটিলতার কারণে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে দেশে দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভবিষ্যত নেতা হওয়ার ভাল সম্ভাবনা ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি এখন তাঁর পক্ষে নেই। যে কারণে বিএনপি হাইকমান্ড অন্যরকম কিছু ভাবছে।

ফাইল চিত্র

বর্তমান পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়া নিজেই তারেক রহমানের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে খুব আশাবাদী হতে পারেন না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর চিত্র বেশ প্রশ্নবিদ্ধ, তেমনি দলও। সূত্রগুলি বলেছে যে চীন এবং বিশেষত ভারতের ফ্যাব্রিক সম্পর্কে খুব নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।

তাহলে বিএনপির নেতৃত্ব কে নেবে? বিকল্প নেতৃত্ব হিসাবে তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সামনে রেখে দলের মধ্যেই নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তার নাতনী জাইমা রহমানকে খুব ভালোবাসেন। পর্যাপ্ত দুর্বলতা তাকে উপসাগর করে রেখেছে। খালেদা জিয়ার স্বপ্ন, নাতনী (জাইমা রহমান) একদিন দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। যদিও একসময় রাজনৈতিক অঙ্গনে খবর ছিল, তারেক রহমানের স্ত্রী ডাঃ জোবায়দা রহমান দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান মাথার উপর ব্যাপক দুর্নীতির বোঝা নিয়ে ২০০৯ সাল থেকে লন্ডনে নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন। সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির টানা তিনবার ক্ষমতায় আসা এবং বিএনপির ব্যর্থতা “ভাঙ্গা হাড়” হিসাবে বিবেচনা করছেন অনেকেই।

jagonews24

ফাইল চিত্র

অন্যদিকে, গ্রুপের মধ্যে বিভিন্ন মতামতের লোক রয়েছে। কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারে না। এদিকে খালেদা জিয়া যথেষ্ট বয়স্ক। বিভিন্ন কারণে শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। সুতরাং মুখে না বললেও তিনি দল গঠনে মরিয়া।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নাতনি জাইমা রহমান বর্তমানে পিতা-মাতার সাথে লন্ডনে অবস্থান করছেন। তিনি আইন নিয়ে পড়াশোনা করছেন। পারিবারিক রাজনৈতিক পরিবেশের কারণ ছাড়াও তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপির রাজনীতিতে বেশ আগ্রহ দেখিয়েছেন। তৃণমূল বিএনপিতে তাঁর দাদি ও বাবা তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা দেখে তিনি দিন দিন রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট ও অনুপ্রেরণা অর্জন করছেন। সেই মায়ের সাথে ডাঃ জোবায়দা রহমান সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ না নিলেও তিনি অত্যন্ত রাজনীতি সচেতন ব্যক্তি। তাঁর ব্যক্তিত্ব তার মেয়ে জাইমা রহমানকে ভবিষ্যতের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ হিসাবে সামনে আনতে পারে।

তাদের মতে, জাইমা রহমান বাংলাদেশে থাকাকালীন তাঁর দাদি বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংস্থায় রাজনৈতিক অঙ্গনে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া এবং কিশোর জাইমাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যেত।

jagonews24

ফাইল চিত্র

জাইমা রহমান সম্প্রতি লন্ডনে ব্যারিস্টার পাস করেছেন। ব্যারিস্টার হওয়ায় দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা উত্সাহ রয়েছে। জল্পনাও শুরু হয়েছে যে জেমা দেশে বহাল বিএনপির নেতৃত্ব ফিরিয়ে নেবেন।

জাইমা সত্যিই দেশে ফিরবে কিনা, কখন ফিরবে; তার বাবা ফিরে আসার পরেও তাকে রাজনীতিতে সক্রিয় হতে দেবেন কিনা তা এখনও অস্পষ্ট। তারেক রহমান তার মেয়ের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি। তবে জাইমা জিয়া পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের সদস্য হওয়ায় রাজনীতি করতে বা না করতে আগ্রহী হওয়া তাঁর পক্ষে স্বাভাবিক। তা ছাড়া জিয়া পরিবার এখন রাজনৈতিক সঙ্কটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এখন যা প্রয়োজন তা হচ্ছে একজন ত্রাণকর্তা যার মধ্যে নেতাকর্মীরা চেয়ারপারসনের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাবেন। এটি একমাত্র ফ্যাব্রিক কন্যা think ভাবেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।

বিএনপিতে বিকল্প নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা বিভিন্ন পর্যায়ে তীব্র হয়েছে। যদিও খালেদা জিয়া এখন কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তবে তিনি শর্তাধীন বন্দী। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি লন্ডন থেকে ‘পলাতক’ হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে প্রবাসী নেতৃত্ব নিয়ে বিএনপির মতো বড় দলকে নেতৃত্ব দেওয়া খুব কঠিন। যদিও বিএনপির সিনিয়র নেতারা বিষয়টি সচেতন হলেও তারা প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারছেন না। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম, স্থায়ী কমিটিরও পাঁচটি শূন্যপদ রয়েছে। বিভিন্ন উত্তেজনার কারণে এই শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে না। বিএনপি কাউন্সিল বা জাতীয় সম্মেলন করার কোন উদ্যোগ নেই।

jagonews24

ফাইল চিত্র

একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সাম্প্রতিক এক সাক্ষাত্কারে জনস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা, একজন বিএনপি সমর্থক বুদ্ধিজীবী হিসাবে পরিচিত। জাফরুল্লাহ চৌধুরী জাইমা রহমানকে বিএনপির নেতৃত্বে আনার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব।) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম বিষয়টি পুরোপুরি সমর্থন না করলেও একেবারেই উড়িয়ে দেননি।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এবং ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে নেতৃত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তবে তিনি প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে দলের বর্তমান চেয়ারপারসন ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরামর্শে সবকিছু পরিচালিত হবে। জাফরুল্লাহ আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে জাইমা গড়তে এখন থেকে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, “তবেই তরুণ নেতৃত্ব বিএনপিতে ফিরে আসবে।” বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে দলের কাউন্সিলও জরুরি হয়ে পড়েছে বলেও জানান তিনি।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব।) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম এ বিষয়ে মতামত প্রকাশ করে বলেন, ‘তারেক রহমানের স্ত্রী ডাঃ জোবায়দা রহমান দলে বেশ জনপ্রিয়। আবার তাদের মেয়ে জাইমাও বারটি পেরিয়েছে। তারা রাজনীতিতে এলে বিএনপির পক্ষে ভালো হবে এবং রাজনীতিতেও বাতাস বইবে। এটি দলের নেতাকর্মীদের নতুন উপায়ে অনুপ্রাণিত করবে। ‘

jagonews24

ফাইল চিত্র

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি দিন দিন সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হচ্ছে। বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ফলাফল খুব হতাশাব্যঞ্জক ছিল। নির্বাচন যদি 100% সুষ্ঠু হয় তবে তাদের পক্ষে সরকার গঠন সম্ভব হত না। ডাকসু নির্বাচনে বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের ফলাফলও লজ্জাজনক ছিল। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকায় দলটি এখন বেশ ‘ক্লান্ত’ এবং ‘ক্লান্ত’। বিএনপিকে আরও কত বছর ক্ষমতার বাইরে থাকতে হবে তাও অনিশ্চিত।

সব মিলিয়ে বিএনপি একটি নাজুক সময় পার করছে। দল কখন বা কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে তা কেউ বলতে পারে না। চরম হতাশায় বিএনপির নেতারা এখন উন্নত ভবিষ্যতের আশায় বসে আছেন। তবে কীভাবে ভালো দিনটি পূরণ করা যায় সে সম্পর্কে তাদের কোনও গাইডেন্স নেই। যদিও তারেক রহমান বুঝতে পেরেছেন যে এটি এখন বিএনপির বোঝা, তবুও কেউ এটি বলার সাহস পাচ্ছে না। তারেকের যেমন দেশের অভ্যন্তরে নেতিবাচক চিত্র রয়েছে, তেমনি দেশের বাইরেও তাকে সন্দেহের চোখে দেখা হয়। তার প্রতি প্রতিবেশী ভারতের মনোভাবও নেতিবাচক। সে কারণেই বিএনপি তারেক রহমানকে সামনে রেখে অনেকদূর যেতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন না বিশ্লেষকরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জিয়া পরিবারে বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান যদি নেতৃত্ব থেকে দূরে থাকেন, তবে বিএনপির নেতৃত্ব কে নেবে? দলের বিচ্ছেদ অনিবার্য, জিয়া পরিবার ব্যতীত অন্য কারও নেতৃত্বে। তাই বিকল্প নেতৃত্ব নিয়ে পার্টির মধ্যে আলোচনা হলেও এটি কোনওভাবেই জিয়া পরিবারের বাইরের কেউ হবেন না, এটা পরিষ্কার। তারেক রহমানের স্ত্রী ডা। জোবায়দা রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোয়ের স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিনথি মাঝে মাঝে আলোচিত হলেও পানি পাননি। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একবার জোবায়দা রহমানের রাজনীতিতে প্রবেশের সংবাদকে স্বাগত জানিয়েছেন।

অবশেষে তারেক-জোবায়দা দম্পতির মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের নাম বিএনপির কান্ডারী হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, খালেদা জিয়া যদি এক্ষেত্রে একমত হন তবে বিষয়টি এমন নয়। জাইমার রাজনীতিতে প্রবেশ করতে চাইলে আপনার বাবা তারেক রহমানের কাছ থেকে গ্রিন সিগন্যাল নিতে হবে। এখন দেখা যাক, তারেক রহমান তার কন্যার হাতে বিএনপিতে আত্মসমর্পণ করে দলে নতুন প্রাণ নিঃশ্বাস ফেলবে? বা অন্য কিছুর জন্য অপেক্ষা করুন, এটি আপনার দেখার জন্য।

রাজনীতিতে জাইমা রহমানের জড়িত থাকার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে ছাত্রদলের প্রাক্তন নেতা আরিফা সুলতানা রুমা জাগো নিউজকে বলেন, “জাতীয়তাবাদী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নির্মিত আদর্শকে ধরে রেখেই জাইমা রহমান দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। রাজনীতি। “

jagonews24

ফাইল চিত্র

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী বলেছেন, “জাইমা রহমানের দাদা স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। জিয়াউর রহমানের অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রী গৃহবধূর কাছ থেকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে নিজেকে আপোষহীন নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিএনপির আমলে আমাদের দেশের নেতা তারেক রহমান তিনি এমপি-মন্ত্রী না হলেও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সংগঠিত করেছেন, তবে তিনি এখনও এই সরকারের নিপীড়ন সহ্য করে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন।এই ধারাবাহিকতায় জাইমা রহমান বলেছিলেন।যোবাইদা রহমান যে কোনও সময় রাজনীতিতে হাজির হবেন – এটি স্বাভাবিক। কারণ জিয়াউর রহমান যে উত্পাদনশীল রাজনীতি তৈরি করেছেন, এদেশের মানুষ যতদিন বেঁচে থাকবে জিয়া পরিবারের প্রতি তাদের আস্থা থাকবে। ‘

দলের শিক্ষাসচিব অধ্যাপক ডঃ ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন: “জাইমা রহমান দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠেন। জিয়া পরিবারের রক্ত ​​তাঁর ধমনীতে রয়েছে। তিনি আজ বা কাল রাজনীতিতে জড়িত থাকতে পারেন। এছাড়া , যে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে তিনি পড়াশোনা করছেন তা বিশ্বে নেতৃত্ব তৈরি করেছে এবং সব মিলিয়ে জাইমা রহমান যদি বাংলাদেশের রাজনীতিতে যুক্ত হন তবে আমি মনে করি বাংলাদেশের রাজনীতি আরও সমৃদ্ধ, উন্নত, শক্তিশালী হবে।দেশ এবং জনগণ দেশের অনেক উপকার হবে। ‘

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, জাইমা রহমান দলে যোগ দিচ্ছেন এমনটা আমি কখনও শুনিনি।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান মন্তব্য করেছিলেন, ‘দেখুন ভবিষ্যতে কী হবে, না কি হবে; তিনি (জাইমা রহমান) ভবিষ্যতে রাজনীতিতে আসবেন কিনা, তা এখনই বলতে পারছি না। ‘

আপনি (জাইমা রহমান) রাজনীতিতে আসলে আপনি কীভাবে এটি করতে পারেন? এখন আমরা কিছু বলতে পারি না। তবে তিনি রাজনীতিতে এলে অবশ্যই যোগ্যতা নিয়ে আসবেন। তার সেই যোগ্যতা রয়েছে। কারণ, জিয়া পরিবারের রক্ত ​​তাঁর দেহে রয়েছে। তবে কখন আসবে; আসবে কি আসবে আমরা এখন বলতে পারি না। ‘

কেএইচ / এমএআর / এমকেএইচ