বিয়ের কথা বলে গার্মেন্টসকর্মীকে বন্ধুদের নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ

jagonews24

নাটোরের এক গার্মেন্টস শ্রমিককে গণধর্ষণ করার অভিযোগে পুলিশ প্রেমিকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত দুই দিনে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। রবিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা গণধর্ষণ ও দোষীদের গ্রেপ্তারের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- হরিশপুর এলাকার সাদিক শেখের ছেলে সাদ্দাম -২ 26, হানিফ-মন্ডলের ছেলে ফারুক মণ্ডল -২ 26, আবদুল কাদেরের পুত্র রুবেল পাটোয়ারী এবং পাটুল গ্রামের বাস চালক রাশেদ মিয়া -২৫।

পুলিশ সুপার সূত্রে জানা গেছে, চাঁদালী চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার কদমতলী গ্রামের একটি গার্মেন্টস গ্রামে কাজ করতেন। আরপি পরিবহনের পথে হেল্পার রাশেদুলের প্রেমে পড়েন তিনি। ১০ আগস্ট রাশেদুল একটি পোশাক শ্রমিককে নাটোর ডেকে নিয়ে যায় এবং তাকে হরিশপুর এলাকায় আবদুল্লাহর বাড়িতে নিয়ে যায়।

তাদের একসাথে ঘোরাঘুরি করার পরে, স্থানীয়রা সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতিতে ১৪ ই আগস্ট সন্ধ্যায় রাশেদুল পোশাক শ্রমিককে বাইরে যেতে বলে হরিশপুর বাসস্ট্যান্ড ছেড়ে যায়। এরপরে সাদ্দাম, রুবেল ও ফারুক তাকে দুটি মোটরসাইকেলে করে ইউনিয়নের রাজিবপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত গরুর খামারে নিয়ে যান। এ সময় তার ব্যাগে রাখা নগদ এবং একটি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।

পরে হরিশপুর বাসস্ট্যান্ডে গার্মেন্টস কর্মী বাছাই করতে মোটরসাইকেলে এসেছিলেন রুবেল। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে রুবেল মোটরসাইকেলটি ফেলে পালিয়ে যায়। এক পোশাক শ্রমিক নাটোর থানায় মামলা দায়েরের পরে ১৫ আগস্ট সাদ্দাম, ফারুক ও রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

অন্যদিকে, রবিবার সকালে চালক রাশেদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

রেজাউল করিম রেজা / এমএএস / এমকেএইচ