মন্ত্রীর হাতে ‘মোস্তাফিজনামা’ তুলে দিল মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড

Ctg-2.jpg

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সোনতান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী একিউএম মোজাম্মেল হকের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিকদের উপর চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে সাংবাদিকদের উপর হামলার বিষয়ে অবমাননাকর মন্তব্য নিয়ে বিশদ তথ্য গ্রহণ করেছেন। ।

মঙ্গলবার (September সেপ্টেম্বর) বিকেলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সোনন কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা নেতারা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সাথে দেখা করে ঘটনার বিবরণ হস্তান্তর করেন। এ সময় তারা বাঁশখালীর সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে যে আন্দোলন চলছে তার বিবরণ দিয়েছিলেন। বাঁশখালী এমপির এমপি পদ বাতিল ও আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলন নিয়ে তারা প্রতিবেদন মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।

ঘটনার বিবরণ শোনার পরে মন্ত্রী বলেছিলেন যে একজন মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর পরে রাষ্ট্রীয় আইন ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া। এতে যদি কেউ গাফিল হন তবে তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

এ সময় তিনি চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সোনতন কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কমিটির মানববন্ধনে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী এবং হামলাকারীর পরিচয় বড় বিষয় নয়।

তিনি দাবি করেছেন যে হামলাকারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনা হোক। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে অবহিত করার আশ্বাসও দিয়েছিলেন।

এ সময় উপস্থিত অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান, শরফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী রাজু, সাবেক মন্ত্রী জহুর আহমেদ চৌধুরীর ছেলে, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ শিশুদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ড। কমান্ড। সরোয়ার আলম চৌধুরী মনি, মুক্তিযোদ্ধার ছেলে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক। মোহাম্মদ ওমর ফারুক রাসেল, চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব কাজী মুহাম্মদ রাজিশ ইমরান, জেলা সদস্য সচিব কামরুল হুদা পাভেল, বাঁশখালী উপজেলা সভাপতি ফয়সাল জামিল চৌধুরী সাকি প্রমুখ।

আবু আজাদ / এমএসএইচ / এমএস