মাস্ক ছাড়া কুয়াকাটা সৈকতে ঢুকতে দিচ্ছে না পুলিশ

কুয়াকাটা

শীত মৌসুমে দ্বিতীয় পর্বের করোনার সংক্রমণের আশঙ্কায় পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটাতে একটি ‘না মাস্ক, নো এন্ট্রি’ পরিষেবা চালু করা হয়েছে। ‘নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন এবং অন্যকে সুরক্ষিত করুন’ এবং ‘ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন’ এই স্লোগান দিয়ে পর্যটক পুলিশ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের আশেপাশে মাইকিং করছে। মুখোশ ছাড়াই সৈকতে প্রবেশ করতে পর্যটকদেরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মুখোশ ছাড়াই আগত পর্যটকদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

‘কুয়াকাটা ভ্রমণকারীরা ভ্রমণের সময় স্বাস্থ্যকর সম্পর্কে ভুলে গিয়েছিলেন’ শিরোনামে 11 নভেম্বর জাগো নিউজে প্রকাশিত হওয়ার পরে প্রশাসন এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সৈকতের প্রবেশ পথ জিরো পয়েন্টটি গত শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) থেকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। আগত পর্যটকরা মুখোশ ছাড়াই সৈকতে toোকার চেষ্টা করলে তাদের মুখ ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলস্বরূপ, কুয়াকাটায় মাস্ক কিনতে পর্যটকদের মধ্যে ভিড় রয়েছে।

“আমরা মুখোশ ছাড়াই সৈকতে যাওয়ার চেষ্টা করি,” আতিক খান নামে এক পর্যটক বলেছিলেন। এ সময় পুলিশকে বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। পরে আমি দোকান থেকে একটি মুখোশ কিনে সৈকতে গেলাম।

অপর পর্যটক শামসুল আলম জানান, শীতে দ্বিতীয় পর্যায়ের করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ ভালো উদ্যোগ নিয়েছে। এটি সচেতনতা কমপক্ষে কিছুটা বাড়িয়ে তুলবে। তবে সুস্থ থাকার জন্য প্রত্যেককেই মাস্ক করা উচিত এবং হাত ঘন ঘন স্যানিটাইজ করা উচিত।

কুয়াকাটা -১

কুয়াকাটা পর্যটক পুলিশ পরিদর্শক মো। বদরুল কবির বলেছিলেন, “আমরা কাউকে মুখোশ ছাড়াই সৈকতে যেতে দিচ্ছি না।” আগত পর্যটকদের স্বাস্থ্যকরতা নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে মাইকিং করা হচ্ছে। শীত মৌসুমে করোনভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায়ে সংক্রমণ রোধ করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জগৎবন্ধু মন্ডল জানিয়েছেন, শীত মৌসুমে করোনার সংক্রমণ বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ জন্য কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের স্বাস্থ্যকর নিয়ম মেনে চলতে হবে। মহিপুর থানা পুলিশ এবং কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

কাজী সা Saeedদ / আরআর / পিআর

করোনার ভাইরাস আমাদের জীবন বদলে দিয়েছে। সময় আনন্দ এবং দুঃখে, সঙ্কটে, উদ্বেগে কাটায়। আপনি কিভাবে আপনার সময় কাটাচ্ছেন? জাগো নিউজে লিখতে পারেন। আজ পাঠান – [email protected]