মোটরসাইকেলেই জীবিকা

কুড়িগ্রাম

কয়েকশ মোটরসাইকেল চালক কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের জালাল মোড় থেকে যাত্রী নিয়ে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা পেরিয়ে চর অঞ্চল সহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে যান।

ভোর হওয়ার সাথে সাথে তারা জালালের মোড়ের লাইনে দাঁড়াল। যাত্রীদের সাথে আলোচনা শেষে তারা দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করে জেলার মোল্লারহাট, কালীগঞ্জ, ওয়াপদা বাজার, নয়ারহাট এবং চৌমুহনী বাজার এলাকায় ছেড়ে যায়।

জানা গেছে, উলিপুর উপজেলার জালাল মোড় থেকে কালীগঞ্জ যাওয়ার রাস্তাটি অ্যাক্সেস অযোগ্য এবং অন্যান্য যানবাহনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সেখান থেকে প্রতিদিন কয়েক শতাধিক মোটরসাইকেল চালক যাত্রী বহন করে বিভিন্ন স্থানে।

যাত্রী থেকে 50 থেকে 120 রুপি দূরত্বের উপর নির্ভর করে। তাদের প্রত্যেকের দৈনিক আয় 600-700 টাকা। তেলের দাম 150-200 টাকা। বাকি অর্থ দিয়ে তারা সংসারের ব্যয় বহন করে।

মোল্লারহাট এলাকার মোটরসাইকেল চালক নুরিস্লাম বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা মোটরসাইকেলে Dhakaাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে যাত্রী নিয়ে যাই। পরিবারটি এ থেকে আয়ে জীবনযাপন করে।

গারুহরা এলাকার মোটরসাইকেল চালক আল আমিন বলেন, আমাদের এলাকার রাস্তাঘাট খারাপ। অন্যান্য যানবাহন চলাচল সম্ভব নয়। তাই আমি একটি মোটরসাইকেল কিনেছি। আমি এটি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। এতে আমাদের প্রতিদিনের আয় 600-700 টাকা।

একই এলাকার মোটরসাইকেল চালক রাশেদ জানান, চালকরা জালাল মোড় থেকে মোল্লারহাট, কালীগঞ্জ, ওয়াপদা বাজার, নয়ারহাট এবং চৌমুহনী বাজার এলাকায় মোটরসাইকেলে পৌঁছেছিল।

বেগমগঞ্জ এলাকার যাত্রী মুসা শেখ জানান, তিনি বেগমগঞ্জ থেকে কুড়িগ্রাম শহরে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। অন্য কোনও যানবাহন রাস্তায় চলাচল করতে না পারায় মোটরসাইকেলই একমাত্র আশা। তবে মোটরসাইকেলের ভাড়া বেশি হওয়ার কারণে স্বল্প আয়ের লোকদের পক্ষে এটি কঠিন।

কুড়িগ্রাম -১

কালীগঞ্জ এলাকার যাত্রী মালেকা জানান, ছেলেটি Dhakaাকায় কাজ করে। তাই আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আমি Dhakaাকা থেকে এসেছি। এখন আমি কালীগঞ্জে যাব। তবে এটি যেহেতু জালাল মোড় থেকে কালীগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল, তাই মোটরসাইকেলই যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। Necessaryাকা থেকে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে এসেছি। তবে যেহেতু মোটরসাইকেলে এই জিনিসগুলি বহন করা সম্ভব নয়, এখন আমি সেগুলি অন্যের যত্নে রেখে চলেছি।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, সারাদেশে বহু মানুষ মোটরসাইকেলে যাত্রী নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে তারা লোকজনের কাছ থেকে বেশি ভাড়া নেয়। সেগুলি ওই অঞ্চলের যাত্রীদের প্রতি মানবিক হওয়া উচিত। এলাকার বেশিরভাগ মানুষ কম আয় ও কঠোর পরিশ্রমী মানুষ। মোটরসাইক্লিস্টদেরও সাবধানে গাড়ি চালানো উচিত যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে।

এফএ / জনসংযোগ