৮ দিন ধরে কাফনের কাপড়ে প্যানেলে নিয়োগপ্রত্যাশীরা

jagonews24

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে প্রার্থীরা আট দিন ধরে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন।

মঙ্গলবার (২ October অক্টোবর) বিক্ষোভকারীকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের ফুটপাতে কাফন পরে থাকতে দেখা যায়।

প্যানেল-সন্ধানকারী সংগঠনের সভাপতি আবদুল কাদের জাগো নিউজকে বলেন, “আমরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্যানেল শিক্ষকদের নিয়োগের দাবিতে কাফনের আড়ালে খোলা আকাশের নীচে গত ছয় দিন ধরে প্রতিবাদ করে যাচ্ছি।” এখন পর্যন্ত শতাধিক প্রার্থী এই আন্দোলনে যোগদানের পরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের অনেকেই হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে আবারও আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, “মঙ্গলবার এই আন্দোলনের সময় আমাদের দশজন অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।” তারা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। যদিও প্যানেলটিতে নিয়োগের দাবিতে তাদের আন্দোলন গত 18 দিন ধরে শুরু হয়েছিল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন আট দিন ধরে চলছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা অনশন চালিয়ে যাব। প্রয়োজনে মহাসড়কে আমাদের প্রাণ হারাবে, তবে আমরা আন্দোলন ছেড়ে বাড়িতে ফিরে যাব না।

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ -২০১ examination পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষা থেকে বাদ পড়া প্রার্থীরা মিরপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) কার্যালয়ের সামনে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আন্দোলন শুরু করে। পরে তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন শুরু করে।

প্রতিবাদকারীরা বলছেন, গত ছয় বছরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র একজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২৪ লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ৫৫,০০০ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও ১৮,০০০ প্রার্থী নিয়োগ করা হয়েছিল।

jagonews24

তাদের মতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও প্যানেল প্রার্থীদের মধ্যে থেকে নিয়োগ নেওয়া হচ্ছে না। আগে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হলেও এখন তা অনুসরণ করা হচ্ছে না। এ কারণে তারা একটি অবিচ্ছিন্ন কর্মসূচি পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা দাবি বাস্তবায়নের দিকেও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেছেন, প্যানেল শিক্ষক নিয়োগের দাবি অযৌক্তিক। প্রার্থীদের চলাফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্যানেল শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ নেই। বিধি মোতাবেক নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এমএইচএম / এইচএ / এমকেএইচ

করোনার ভাইরাস আমাদের জীবন বদলে দিয়েছে। আনন্দ, বেদনা, সংকট, উদ্বেগ নিয়ে সময় কাটায়। আপনি কিভাবে আপনার সময় কাটাচ্ছেন? জাগো নিউজে লিখতে পারেন। আজ পাঠান – [email protected]